ঢাকা, ডিসেম্বর ২৮: প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্থ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের চিহ্নিত করণে গঠিত বিশেষ স্কিম কমিটি সকল মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসের কাছে মার্জিন ও ননমার্জিন হিসাবসমূহের বেশ কিছু তথ্য চেয়ে চিঠি ইস্যু করেছে।
আজ বুধবার বিশেষ স্কিম কমিটির সদস্য ও সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত ওই চিঠি সব মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসে পাঠানো হয়েছে বলে সূত্রে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসকে ১০ পাতা সম্বলিত ছক প্রস্তুত করে আগামী ৪ জানুয়ারির মধ্যে সিডিসহ এক্সেল ফরমেটে সংশ্লিষ্ট তথ্য স্কিম কমিটির কাছে পাঠাতে চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে।
চিঠিতে নন মার্জিন হিসাবধারীদের জন্য সর্বনিম্ন ১ লাখ, ১লাখ টাকা থেকে ২ লাখ ৫০ হাজার, ২ লাখ ৫০ হাজার থেকে ৫ লাখ, ৫ লাখ থেকে ১০ লাখ এবং ১০ লাখ টাকার উর্ধ্বে এমন ৫ স্তরে যারা বিনিয়োগ করেছেন তাদের তথ্য চাওয়া হয়েছে।
ওই ফরমেটে যে সব বিষয় জানাতে বলা হয়েছে তা হলো, সংশ্লিষ্ট মার্চেন্ট ব্যাংক বা ব্রোকারেজ হাউসের নাম, একক বিনিয়োগকারীর বিও হিসাব, হিসাব খোলার সময় (১ জানুয়ারি, ২০০৯) ইক্যুইটির পরিমাণ, ওই তারিখ থেকে ৩০ নভেম্বর, ২০১১ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট হিসাবে জমার পরিমাণ (প্রাথমিক জমা, পুন:জমা ও অর্থ হস্তান্তর), ১.১.২০০৯ থেকে ৩০.১১.২০১১ পর্যন্ত সময়ের অর্থ উত্তোলনের হিসাব (অর্থ উত্তোলন ও অর্থ হস্তান্তর), মোট জমা (ডিপোজিট), ৩০ নভেম্বর, ২০১১ তারিখে খোলা পোর্টফোলিওর বর্তমান বাজারমূল্য, ২০০৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে গত ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ওই সব হিসাবধারীর ক্ষতির পরিমাণ, একই সময়ে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউস কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন ফি ও চার্জের পরিমাণ।
এর আগে বিশেষ স্কিম কমিটি বিশেষ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বিনিয়োগকারীদের ক্ষতির পরিমাণ, কোন শ্রেণীর বিনিয়োগকারীদের বিশেষ স্কিমের আওতায় আনা হবে, কোন সময় থেকে ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হবে তা জানতে চিঠি ইস্যু করা হয়। ইতিমধ্যে এসইসির চেয়ারম্যানসহ বিশেষ কয়েকজন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান তাঁদের মতামত জানিয়েছে বলে জানা যায়। আর এরই আলোকে আজ বিশেষ স্কিম কমিটি মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসের কাছে চিঠি ইস্যু করেছে।
এর আগে গত ৫ ডিসেম্বর বিশেষ স্কিম কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং ২৭ নভেম্বর সরকারের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে পুঁজিবাজারের ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণে বিশেষ স্কিম প্রণয়নের লক্ষে ছয় সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। পরবর্তিতে কমিটির কাজের সুবিধার্তে একজন সদস্য বাড়ানো হয়।