বড় ধরনের অস্থিরতা দিয়ে গতকাল সোমবার দিনের লেনদেন শুরম্ন করেও অনেকটা স্থির অবস্থানে থেকেই লেনদেন শেষ করেছে দেশের দুই শেয়ারবাজার। পরিচালকদের শেয়ার ধারণ সম্পর্কিত সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙচেঞ্জ কমিশনের প্রজ্ঞাপন নিয়ে হাইকোর্টের রুল জারির কারণে দিনের শুরম্নতে এ অস্থিরতা সৃষ্টি হলেও একপর্যায়ে তা কাটিয়ে ওঠে। দিন শেষে ঢাকার সাধারণ সূচক ৭ দশমিক ৭২ পয়েন্ট অবনতি ঘটে। চট্টগ্রাম স্টকে সিএসসিএঙ সূচক পড়ে যায় ১৩ দশমিক ১৩ পয়েন্ট। তবে উভয় বাজারেই সূচকের ওঠানামা ছিল লৰণীয়।
সোমবার সকালে ঢাকা স্টক এঙচেঞ্জে লেনদেন শুরুর পর পাঁচ মিনিটে সাধারণ সূচক কমে ৬৩ পয়েন্ট। রোববার শেষ করা ডিএসই সূচকের পাঁচ হাজার ১০৬ পয়েন্ট থেকে লেনদেন শুরম্ন হলেও এ সময় সূচক নেমে আসে পাঁচ হাজার ৪৩ পয়েন্টে। লেনদেন হওয়া কোম্পানির বেশির ভাগই তখন বড় ধরনের দর হারায়। কিন্তু নেতিবাচক এ প্রবণতা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ১১টা ২০ মিনিট থেকে সূচক বাড়তে থাকে। দিনের বাকি সময় কাটে সূচকের ওঠানামায়। তবে শুরম্নর দিকে বাজারে যে বিক্রয় চাপ ছিল তা আর দেখা যায়নি। দুপুর ১২টার পর সূচকের সামান্য উন্নতি ঘটতে দেখা যায়। বড় ধরনের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে এপর্যায়ে বাজারে বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পায়। বেলা দেড়টায় সূচক আগের দিন অপেৰা ৩৩ পয়েন্ট বেড়ে যায়। তবে শেষ দিকে এসে সমন্বয় ঘটলে সাধারণ সূচকের ৭ দশমিক ৭২ পয়েন্ট হারিয়ে লেনদেন শেষ করে ডিএসই।
দিনশেষে লেনদেন হওয়া ২৫৬টি কোমপানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ৮৩টির, কমেছে ১৬২টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ১১টির দাম। লেনদেন হয়েছে ৬৮৮ কোটি টাকার শেয়ার, যা গত দিনের চেয়ে ৯ কোটি টাকা বেশি। রোববার এখানে ৬৭৯ কোটি টাকার শেয়ার বেচাকেনা হয়। লেনদেন বৃদ্ধি পায় চট্টগ্রাম স্টক এঙচেঞ্জেও। এখানে রোববারের ৫৬ কোটি টাকার লেনদেন গতকাল ৬৭ কোটি টাকায় পৌঁছে।
বাজার সংশিস্নষ্টরা মনে করছেন, রোববারের করা রিট বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক সৃষ্টি করে, যার প্রমাণ মেলে দিনের লেনদেনের শুরম্নতে। কিন্তু ডিএসই নেতৃবৃন্দের বলিষ্ঠ ভূমিকার কারণে আতঙ্ক কাটিয়ে আবার স্বাভাবিক আচরণে ফিরে বাজার। তাদের মতে, যতৰণ বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কিত না হবেন ততৰণ বাজারে বড় ধরনের দরপতনের আশঙ্কা নেই। কারণ এখনো বাজার মূল্যসৱরের দিক থেকে ভালো অবস্থানেই রয়েছে।
এর আগে সকালেই অ্যাটর্নি জেনারেলের সাথে দেখা করেন ডিএসই প্রেসিডেন্ট মো: রকিবুর রহমান। অ্যাটর্নি জেনারেল ডিএসইর প্রেসিডেন্টকে আশ্বসৱ করেন। বিভিন্ন প্রচারমাধ্যমে বিষয়টি উঠে এলে অস্থিরতা কাটিয়ে ওঠে বাজার। একপর্যায়ে আবার মূল্যবৃদ্ধির ধারায় ফিরে। অথচ রোববার রিট আবেদনের পর থেকেই বাজার নিয়ে বড় ধরনের সংশয়ে ছিলেন ুদ্র বিনিয়োগকারীরা।
গত রোববার এক আদেশে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর পরিচালকদের ন্যূনতম ২ শতাংশ শেয়ার ধারণে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) জারি করা প্রজ্ঞাপনকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চায় হাইকোর্ট। চার সপ্তাহের মধ্যে অর্থ সচিব, বাণিজ্য সচিব, এসইসি চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, এনসিসিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, জয়েন্ট স্টক কোম্পানি অ্যান্ড ফার্মের রেজিস্ট্রার, ঢাকা স্টক এঙচেঞ্জ ও চট্টগ্রাম স্টক এঙচেঞ্জকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এনসিসি ব্যাংকের পরিচালক শেখ আবদুল মোমিনের রিট আবেদন গ্রহণ করে এ রম্নল জারি করেন হাইকোর্ট।
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সব কোম্পানির উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ন্যূনতম শেয়ার ধারণের বিষয়ে প্রজ্ঞাপনটি গত বছরের ২২ নভেম্বর জারি করেছিল এসইসি।
ওই আদেশে বলা হয়, একটি কোম্পানির মোট পরিশোধিত মূলধনের ন্যূনতম ৩০ শতাংশ ওই প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের হাতে থাকতে হবে। আর ব্যক্তিগতভাবে প্রত্যেক পরিচালকের হাতে ন্যূনতম ২ শতাংশ শেয়ার থাকতে হবে, তা না হলে তিনি পরিচালক পদ হারাবেন।
সোমবার সকালে ঢাকা স্টক এঙচেঞ্জে লেনদেন শুরুর পর পাঁচ মিনিটে সাধারণ সূচক কমে ৬৩ পয়েন্ট। রোববার শেষ করা ডিএসই সূচকের পাঁচ হাজার ১০৬ পয়েন্ট থেকে লেনদেন শুরম্ন হলেও এ সময় সূচক নেমে আসে পাঁচ হাজার ৪৩ পয়েন্টে। লেনদেন হওয়া কোম্পানির বেশির ভাগই তখন বড় ধরনের দর হারায়। কিন্তু নেতিবাচক এ প্রবণতা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ১১টা ২০ মিনিট থেকে সূচক বাড়তে থাকে। দিনের বাকি সময় কাটে সূচকের ওঠানামায়। তবে শুরম্নর দিকে বাজারে যে বিক্রয় চাপ ছিল তা আর দেখা যায়নি। দুপুর ১২টার পর সূচকের সামান্য উন্নতি ঘটতে দেখা যায়। বড় ধরনের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে এপর্যায়ে বাজারে বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পায়। বেলা দেড়টায় সূচক আগের দিন অপেৰা ৩৩ পয়েন্ট বেড়ে যায়। তবে শেষ দিকে এসে সমন্বয় ঘটলে সাধারণ সূচকের ৭ দশমিক ৭২ পয়েন্ট হারিয়ে লেনদেন শেষ করে ডিএসই।
দিনশেষে লেনদেন হওয়া ২৫৬টি কোমপানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ৮৩টির, কমেছে ১৬২টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ১১টির দাম। লেনদেন হয়েছে ৬৮৮ কোটি টাকার শেয়ার, যা গত দিনের চেয়ে ৯ কোটি টাকা বেশি। রোববার এখানে ৬৭৯ কোটি টাকার শেয়ার বেচাকেনা হয়। লেনদেন বৃদ্ধি পায় চট্টগ্রাম স্টক এঙচেঞ্জেও। এখানে রোববারের ৫৬ কোটি টাকার লেনদেন গতকাল ৬৭ কোটি টাকায় পৌঁছে।
বাজার সংশিস্নষ্টরা মনে করছেন, রোববারের করা রিট বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক সৃষ্টি করে, যার প্রমাণ মেলে দিনের লেনদেনের শুরম্নতে। কিন্তু ডিএসই নেতৃবৃন্দের বলিষ্ঠ ভূমিকার কারণে আতঙ্ক কাটিয়ে আবার স্বাভাবিক আচরণে ফিরে বাজার। তাদের মতে, যতৰণ বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কিত না হবেন ততৰণ বাজারে বড় ধরনের দরপতনের আশঙ্কা নেই। কারণ এখনো বাজার মূল্যসৱরের দিক থেকে ভালো অবস্থানেই রয়েছে।
এর আগে সকালেই অ্যাটর্নি জেনারেলের সাথে দেখা করেন ডিএসই প্রেসিডেন্ট মো: রকিবুর রহমান। অ্যাটর্নি জেনারেল ডিএসইর প্রেসিডেন্টকে আশ্বসৱ করেন। বিভিন্ন প্রচারমাধ্যমে বিষয়টি উঠে এলে অস্থিরতা কাটিয়ে ওঠে বাজার। একপর্যায়ে আবার মূল্যবৃদ্ধির ধারায় ফিরে। অথচ রোববার রিট আবেদনের পর থেকেই বাজার নিয়ে বড় ধরনের সংশয়ে ছিলেন ুদ্র বিনিয়োগকারীরা।
গত রোববার এক আদেশে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর পরিচালকদের ন্যূনতম ২ শতাংশ শেয়ার ধারণে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) জারি করা প্রজ্ঞাপনকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চায় হাইকোর্ট। চার সপ্তাহের মধ্যে অর্থ সচিব, বাণিজ্য সচিব, এসইসি চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, এনসিসিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, জয়েন্ট স্টক কোম্পানি অ্যান্ড ফার্মের রেজিস্ট্রার, ঢাকা স্টক এঙচেঞ্জ ও চট্টগ্রাম স্টক এঙচেঞ্জকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এনসিসি ব্যাংকের পরিচালক শেখ আবদুল মোমিনের রিট আবেদন গ্রহণ করে এ রম্নল জারি করেন হাইকোর্ট।
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সব কোম্পানির উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ন্যূনতম শেয়ার ধারণের বিষয়ে প্রজ্ঞাপনটি গত বছরের ২২ নভেম্বর জারি করেছিল এসইসি।
ওই আদেশে বলা হয়, একটি কোম্পানির মোট পরিশোধিত মূলধনের ন্যূনতম ৩০ শতাংশ ওই প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের হাতে থাকতে হবে। আর ব্যক্তিগতভাবে প্রত্যেক পরিচালকের হাতে ন্যূনতম ২ শতাংশ শেয়ার থাকতে হবে, তা না হলে তিনি পরিচালক পদ হারাবেন।