যায় যায় দিন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
যায় যায় দিন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ৯ এপ্রিল, ২০১২

লেনদেনের প্রথমদিনেই দর বৃদ্ধির শীর্ষে জিএসপি ফাইন্যান্স

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানি জিএসপি ফাইন্যান্সের লেনদেন শুরু হয় সোমবার। এদিন প্রথম দিনেই দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে প্রতিষ্ঠানটি। দিন শেষে এর দর হয় ৫২ টাকা ৩০ পয়সা। দিনভর এ কোম্পানির শেয়ার দর ৪০ টাকা ১০ পয়সা থেকে ৫৩ টাকা ৪০ পয়সা পর্যন্ত ওঠানামা করে। এদিন এর ৬১ লাখ ৩৫ হাজার ৫০০ শেয়ারের লেনদেন হয় ১১ হাজার ২৫১ বারে। প্রতিষ্ঠানটি আইপিওর মাধ্যমে বাজার থেকে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে ৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। ১০ টাকার অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের দর নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ টাকা। প্রতিষ্ঠানটির ৫০০টি শেয়ারে একটি মার্কেট লট। কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা এবং আইপিও পূর্ববতী পরিশোধিত মূলধন ছিল ২৭ কোটি ৬৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা। অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৭৫ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ২৫ টাকা ৬১ পয়সা। প্রতিষ্ঠানটির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।
 

পরিচালকদের রিট নিয়ে পুঁজিবাজারে আতঙ্ক, আদালতে তথ্যপ্রমাণ উপস্থাপনে প্রস্তুত ডিএসই

পুঁজিবাজারে পরিচালকদের ২ শতাংশ শেয়ার ধারণের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে করা রিটে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে। তবে সোমবার সকালে প্রজ্ঞাপনের কার্যকারিতা স্থগিত করা হয়নি জানিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের মতামত এবং রুলনিশির উপযুক্ত জবাব দিতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের কঠোর অবস্থান জানানোর পর স্বস্তি ফিরে আসতে শুরু করে বাজারে। ফলে সূচকের ভয়াবহ ধসের আশঙ্কা করা হলেও শেষ পর্যন্ত এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি। জানা গেছে, রোববার বাজারে পরিচালকদের রিটের গুজব ওঠায় সূচকের বেশ ওঠা-নামা দেখা যায়। একইসঙ্গে বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত ওই দিন বিকালে ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক লিমিটেডের (এনসিসিবিএল) পরিচালক শেখ আব্দুল মোনিম পরিচালকদের শেয়ার ধারণে জারি করা প্রজ্ঞাপনটি চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট প্রাথমিক শুনানিতে উদ্যোক্তা/পরিচালকদের এককভাবে কমপক্ষে শতকরা ২ ভাগ শেয়ার ধারণের বিষয়ে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের জারি করা প্রজ্ঞাপনকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুলনিশি জারি করেন। এ ঘটনায় সন্ধ্যায় জরুরি বৈঠকে বসে ডিএসই বোর্ড। বৈঠকে সোমবারের সূচকের বড় ধরনের ধসের আশঙ্কা করে লেনদেন বন্ধ রাখা হবে কিনা তা নিয়ে আলোচনা হয়। শেষ পর্যন্ত লেনদেন বন্ধ রাখা হয়নি। তবে বাজারে যেন এর নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে এজন্য গতকাল লেনদেন শুরুর আগেই ডিএসই ও সিএসইর প্রতিনিধিরা অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। এ সময় অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম রুলনিশির বিষয়ে পরিষ্কার করে বলেন, পরিচালকদের এককভাবে কমপক্ষে শতকরা ২ ভাগ শেয়ার ধারণের বিষয়ে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের জারি করা প্রজ্ঞাপনের বিরুদ্ধে কোনো স্থগিতাদেশ জারি করেননি হাইকোর্ট। শুধু ৪ সপ্তাহের রুলনিশি জারি করে জবাব চাওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে এর সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা ও জবাব দেয়া হবে। সাক্ষাৎ শেষে রকিবুর রহমান বলেন, স্থগিত আদেশ না দেয়ায় বাজারে কোনো প্রভাব পড়বে না। বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কিত না হওয়ার অনুরোধ করেন তিনি। বিনিয়োগকারীদের এ আদেশ নিয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ডিএসইর জবাব দেব। প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত দিয়ে প্রমাণ করতে সক্ষম হবে যে এসইসির প্রজ্ঞাপনটি জনস্বার্থে ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে করা হয়েছে। অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এসইসি সদস্য মো. আবদুস সালাম, সিনিয়র সহ-সভাপতি আহমেদ রশীদ লালী, সহ-সভাপতি মো. শাহজাহান, পরিচালক, মিনহাজ মান্নান ইমন, মিজান উর রহমান খান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. এম মোশাররফ হোসেন, সিএফও শুভ্রকান্তি চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। পরে এ খবর বাজারে ছড়িয়ে পড়লে বাজারে স্বস্তি ফিরে আসতে শুরু করে। তবে সকাল থেকে সাধারণ সূচকের নিম্নগতি দেখা যায়। তবে দিনশেষে সূচক সামান্য কমলেও লেনদেন বেড়েছে। বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মোট ২৫৬টি কোমপানির ১১ কোটি ৪২ লাখ ৭৩ হাজার ৭৮টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেনের পরিমাণ ৬৮৮ কোটি ৮৫ লাখ ৪৮ হাজার ৯৬৪ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৯ কোটি ৪ লাখ টাকা বেশি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাধারণ মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ৭ দশমিক ৭৩ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৯৯ দশমিক ০৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ডিএসই-২০ মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ৫ দশমিক ২৫ পয়েন্ট কমে ৩ হাজার ৭৬০ দশমিক ১৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেনকৃত ২৫৬টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৮৩টির কমেছে ১১৬২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১১টি কোম্পানির শেয়ারের। ডিএসইতে গতকাল আর্থিক লেনদেনের ভিত্তিতে প্রধান ১০টি কোমপানি হলো- তিতাস গ্যাস, যমুনা অয়েল, জিএসপি ফাইন্যান্স, গ্রামীণফোন, এমআই সিমেন্ট, ডেসকো, বেক্সিমকো লি., লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও এমজেএল। দর বৃদ্ধির শীর্ষে প্রধান ১০টি কোমপানি হলো- জিএসপি ফাইন্যান্স, প্রগ্রেসিভ লাইফ, এসিআই, জিকিউ বলপেন, আরামিট, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স, এটলাস বাংলা, এ আলম কোল্ড রোল্ড, মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও তাক্কাফুল ইন্স্যুরেন্স।

বৃহস্পতিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১১

১৮শ কোটি টাকা বিনিয়োগে ৩ সুবিধা চেয়েছে বিআইএ



শেয়ারবাজারে জীবনবীমা তহবিলের ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের জন্য ৩ সুবিধা চেয়েছে বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন (বিআইএ)। গতকাল এসইসি চেয়ারম্যান ড. খায়রুল হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে লিখিতভাবে সংগঠনের চেয়ারম্যান শেখ কবির হোসেন এ প্রস্তাব দেন।
শেয়ারবাজারে বীমা তহবিলের বিনিয়োগ প্রস্তাবের পাশাপাশি এসইসির কাছে ৩টি সুবিধা চেয়েছে বিআইএ। এগুলো হলো- আইপিওতে ১০ শতাংশ কোটা সংরক্ষণ, ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির সাবসিডিয়ারি হিসেবে মার্চেন্ট ব্যাংক এবং অ্যাসেট ম্যানেজম্যান্ট কোম্পানি গঠনে লাইসেন্স প্রদানের অনুমতি দান।
বিআইয়ের প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, ২০১০ সালের ৩১ ডিসেম্বরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ১৭ টি বেসরকারি জীবনবীমা কোম্পানির ১৩ হাজার ৪৯২ কোটি ৮০ লাখ টাকা তহবিলের বিপরীতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮৩৩ কোটি টাকা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগযোগ্য। ইতোমধ্যে বীমা তহবিলের ১ হাজার ৩৭৭ কোটি টাকা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করা হয়েছে। বাকি ১ হাজার ৭৯৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগযোগ্য অবস্থায় রয়েছে। বিনিয়োগযোগ্য এ অর্থ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করা হলে চলমান তারল্য সঙ্কট কাটনোর ক্ষেত্রে সহায়ক হবে। তবে যেহেতু বীমা তহবিলের অর্থ পলিসি হোল্ডারদের, সেজন্য তহবিলের অর্থের সর্বোচ্চ নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।
বিআইএ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগযোগ্য তহবিলের নিরাপত্তার স্বার্থে ৩টি সুবিধা দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। বিআইয়ের নির্বাহী কমিটির সভায় এ প্রস্তাবগুলো গৃহীত হয়েছে বলে বিআইয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
বৈঠক শেষে বীমা তহবিল শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের বিষয়ে গঠিত কমিটির আহ্বায়ক আহসান ইসলাম টিটু সাংবাদিকদের বলেন, আমরা এসইসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠক করে আমাদের প্রস্তাব দিয়েছি। এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এসব প্রস্তাবগুলো সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করা হবে বলে এসইসি চেয়ারম্যান আশ্বস্ত করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে এগুলো বাস্তবায়ন সময়সাপেক্ষ বলেও মন্তব্য করেন টিটু। তিনি আরো বলেন, আগামী রোববার এসইসির পক্ষ থেকে পুঁজিবাজার বিষয়ে বেশ কিছু সিদ্ধান্তের কথা জানানোর কথা রয়েছে। সে সিদ্ধান্তের আগে ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়ে আমরা আমাদের প্রস্তাবনা তুলে ধরেছি।
২০১০ সালের ৩১ ডিসেম্বরের হিসাব অনুযায়ী ১৭টি জীবনবীমা কোম্পানির মধ্যে ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগযোগ্য ৩৭০ কোটি ২৪ লাখ টাকার মধ্যে ৯৯ কোটি ৬৯ লাখ টাকা, ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৪২৭ কোটি ৩৪ লাখ টাকার মধ্যে ৩৮৫ কোটি ৯৬ লাখ টাকা, আমেরিকান লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৮০০ কোটি টাকার মধ্যে ১২ কোটি টাকা, সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ১৩৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকার মধ্যে ২৬ কোটি টাকা, হোমল্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোমপানির ৪১ কোটি টাকার মধ্যে ৩ কোটি ১৪ লাখ টাকা, মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ১৫৬ কোটি ২২ লাখ টাকার মধ্যে ২২ কোটি টাকা, সানফ্লাওয়ার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোমপানির ২৮ কোটি ৬৮ লাখ টাকার মধ্যে ৫ কোটি টাকা, প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির ৪২ কোটির মধ্যে ১৫ কোটি, ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোমপানির ২৮৪ কোটি ১২ লাখ টাকার মধ্যে ১৬২ কোটি ৮০ লাখ টাকা, প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৭১ কোটি টাকার মধ্যে ৬২ কোটি ৮৪ লাখ টাকা, পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ২৬৫ কোটি ৩২ লাখ টাকার মধ্যে ৭৪ কোটি ৬৮ লাখ টাকা, প্রগতি লাইফ ইন্সুরেন্সের ৬২ কোটি টাকার মধ্যে সাড়ে ৪৫ কোটি টাকা, পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্সুৗরেন্সের ৪২ কোটি ৭৮ লাখ টাকার মধ্যে ৪ কোটি ৭৮ লাখ টাকা, রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৪৭ কোটি টাকার মধ্যে ২২ কোটি ৪০ লাখ টাকা, সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স ৩৯ কোটি ৭২ লাখ টাকার মধ্যে ২৫ কোটি টাকা, বায়রা লাইফ ইন্স্যুরেন্স ১৪ কোটি ৪২ লাখ টাকার মধ্যে ৫০ লাখ টাকা এবং গোল্ডেন লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোমপানির ২০ কোটি ৭৬ লাখ টাকার মধ্যে ৩ কোটি ১২ লাখ টাকা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ রয়েছে।