সোমবার, ৯ এপ্রিল, ২০১২

ডিএসইতে দিনভর মিশ্র আচরণ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার: ঢাকার পুঁজিবাজার গতকাল সূচকের দিক থেকে ঠিক আগের দিনের বিপরীত আচরণ করলো। সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনে ডিএসইতে সূচক কমলো ৭ পয়েন্ট। সঙ্গে কমেছে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর। তবে লেনদেন খানিকটা বেড়েছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না। সার্বিক বিবেচনায় এ সপ্তাহের দু’দিনই বাজারের অবস্থান একদমই নেতিবাচক স্থানে পৌঁছে গেছে। রোববার সূচক ৭ পয়েন্ট বাড়লেও একই সংখ্যার পতন ঘটে সোমবারের বাজারে। আর অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর হ্রাসের চিত্র ছিল দু’দিনই প্রায় অভিন্ন। সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন শুরুর পর পাঁচ মিনিটে সাধারণ সূচক কমে ৬৩ পয়েন্ট। তবে ১১টা ২০ মিনিট থেকে সূচক বাড়তে থাকে। লেনদেন শেষে ডিএসই সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৭ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৯৯ পয়েন্ট হয়েছে।
হাতবদল হওয়া কোম্পানিগুলোর শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ৮৩টির, কমেছে ১৬২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১১টির দাম। লেনদেন হয়েছে প্রায় ৬৮৮ কোটি টাকার শেয়ার, যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় নয় কোটি টাকা বেশি।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গতকাল সকাল ১১টা থেকে ১১টা ১০ মিনিট পর্যন্ত ডিএসই’র সাধারণ সূচক ৬৩ পয়েন্টের মতো কমে যায়। বেলা সোয়া ১১টায় সূচক ৪৪ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৬২ পয়েন্টে নেমে আসে। এরপর ঊর্ধ্বমুখী হয় সূচক। বেলা ১১টা ৪০মিনিটে ডিএসই’র সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৮ পয়েন্ট বেড়ে যায়। পরবর্তীতে বেলা পৌনে ১২টায় ডিএসই’র সাধারণ সূচক ১২ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৯৩ পয়েন্টে, দুপুর সোয়া ১২টায় ১৬ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ১২২ পয়েন্টে, ১২টা ৩৫ মিনিটে ২৯ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ১৩৫ পয়েন্টে, ১টায় ১৯ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ১২৬ পয়েন্টে, সোয়া ১টায় ৩৩ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ১৪০ পয়েন্টে স্থির হয়। অন্যদিকে গতকাল চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ’র (সিএসসি) সার্বিক মূল্যসূচক ৩ পয়েন্ট কমে ৯ হাজার ৫১২ পয়েন্টে স্থির হয়েছে। এদিন সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৮৭টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৫১টি, কমেছে ১২৫টি এবং দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ১১টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। এদিন সিএসইতে লেনদেন হয়েছে মোট ৬৭ কোটি টাকার শেয়ার।
ডিএসইতে গতকাল লেনদেনে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠান হলো- তিতাস গ্যাস, যমুনা অয়েল, জিএসপি ফিন্যান্স, গ্রামীণফোন, এমআই সিমেন্ট, ডেসকো, বেক্সিমকো লি., লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, মেঘনা পেট্রোলিয়াম এবং মবিল যমুনা। দরবৃদ্ধিতে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠান হলো- জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি লিমিটেড, প্রগ্রেস লাইফ ইন্স্যুরেন্স, এসিআই, জিকিউ বলপেন, অ্যারামিট সিমেন্ট, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স, এটলাস বাংলাদেশ, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিল লিমিটেড, মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও তাকাফুল লাইফ ইন্স্যুরেন্স। দর ধরে রাখতে ব্যর্থ শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠান হলো- একটিভ ফাইন্যান্স, প্রাইম ওয়ান আইসিবিএ, ফনিক্স ইন্স্যুরেন্স, এআইবিএল ১ম ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ড, ৩য় আইসিবি মিউচুয়াল ফান্ড, সেন্ট্রাল ইন্স্যুরন্স, ইমাম বাটন, কে অ্যান্ড কিউ, সমরিতা হসপিটাল ও প্রাইম টেক্সটাইল।