দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সপ্তাহের তৃতীয় দিন সূচকের সঙ্গে লেনদেনও বেড়েছে।
মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন শুরুর পর পাঁচ মিনিটে সাধারণ সূচক বাড়ে ৬৮ পয়েন্ট। এরপর ধাপে ধাপে সূচক বাড়ে। লেনদেন শেষে ডিএসই সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে প্রায় ১১৫ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ২১৪ পয়েন্ট হয়েছে।
হাতবদল হওয়া কোম্পানিগুলোর শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ২২০টির, কমেছে ৩১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৮টির দাম। লেনদেন হয়েছে প্রায় ৯২৯ কোটি টাকার শেয়ার যা গত দিনের চেয়ে প্রায় ২০২ কোটি টাকা বেশি।
পরিচালকদের শেয়ার ধারণ সম্পর্কিত প্রজ্ঞাপন নিয়ে হাই কোর্টের রুলের পরদিন সোমবার ডিএসই সাধারণ সূচক ৭ পয়েন্ট কমে। লেনদেন হয় প্রায় ৬৮৮ কোটি টাকার শেয়ার। রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাধারণ সূচকে যোগ হয়েছিল প্রায় ৭ পয়েন্ট।
গত সপ্তাহে ডিএসই সাধারণ সূচক প্রায় ১০৯ পয়েন্ট বা ২.১৮ শতাংশ বাড়ে। গত সপ্তাহে গড়ে দৈনিক লেনদেন ছিল ৭২৭ কোটি টাকা। এর আগের সপ্তাহে ডিএসই সাধারণ সূচকে যোগ হয় ২৩১ পয়েন্ট। তারও আগের দুই সপ্তাহেও সাধারণ সূচকও বেড়েছিল।
রোববার এক আদেশে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর পরিচালকদের ন্যূনতম ২ শতাংশ শেয়ার ধারণে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) জারি করা প্রজ্ঞাপনকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চায় হাই কোর্ট।
চার সপ্তাহের মধ্যে অর্থ সচিব, বাণিজ্য সচিব, এসইসি চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, এনসিসিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, জয়েন্ট স্টক কোম্পানি অ্যান্ড ফার্মের রেজিস্ট্রার, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সব কোম্পানির উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ন্যূনতম শেয়ার ধারণের বিষয়ে প্রজ্ঞাপনটি গত ২২ নভেম্বর জারি করেছিল এসইসি।
ওই আদেশে বলা হয়, একটি কোম্পানির মোট পরিশোধিত মূলধনের ন্যূনতম ৩০ শতাংশ ওই প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের হাতে থাকতে হবে। আর ব্যক্তিগতভাবে প্রত্যেকে পরিচালকের হাতে ন্যূনতম ২ শতাংশ শেয়ার থাকতে হবে, তা না হলে তিনি পরিচালক পদ হারাবেন।
গত ৪ এপ্রিল সিকিউরিটিজ অ্যান্ড কমিশনের (এসইসি) নির্দেশনা মেনে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই পুঁজিবাজার থেকে শেয়ার কেনার বাধ্যবাধকতার কথা উদ্যোক্তা-পরিচালকদের একটি চিঠি দিয়ে মনে করিয়ে দেয় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)।
এসইসির এই আদেশের কথা উলে¬খ করে চিঠিতে বলা হয়, আগামী ২১ মে শেয়ার কেনার সময়সীমা শেষ হবে। উদ্যোক্তা-পরিচালকদের যারা এখনও ২ শতাংশ ও ৩০ শতাংশের কোটা পুরণ করেননি, তাদের এ সময়ের মধ্যে শেয়ার কেনা শেষ করার কথা মনে করিয়ে দিতে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের অনুরোধ করা হয়েছে ডিএসইর এই চিঠিতে।
মঙ্গলবার, ১০ এপ্রিল, ২০১২
ডিএসই: সূচক ও লেনদেন বেড়েছে
Posted by Ultra News Update on ৮:৪৭ AM