মঙ্গলবার, ১০ এপ্রিল, ২০১২

বিনিয়োগকারীদের উপচে পড়া ভিড়

বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসায় আজ মঙ্গলবার লেনদেন চলাকালীন হাউজগুলোতে বিনিয়োগকারীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। পুঁজিবাজারের ইতিবাচক প্রবণতায় আস্থা ফিরে পাওয়ায় আবার বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আবার লেনদেনে আগ্রহ দেখা গেছে।

প্রায় দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে পুঁজিবাজারের টানা পতনের কবলে পড়ে বিনিয়োগকারীরা আস্থা হারিয়ে বাজার থেকে নিজেদেরকে গুটিয়ে নেয়। মার্চ মাসের শুরু থেকেই পুঁজিবাজারে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা যায় আর ১৫ মার্চের ডিএসই প্রেসিডেন্ড নির্বাচন এই দুইয়ে মিলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ সরেজমিনে দেখা গেছে বিনিয়োগকারীদের উপচে পড়া ভিড়। এছাড়া সারাদেশের তথ্য মতে ঢাকার মতো অন্যান্য স্থানেও ছিল বিনিয়োগকারীদের চোখে পড়ার মতো উপস্থিতি।

আজ মতিঝিল এলাকার বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউজ ঘুরে দেখা গেছে, বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ ব্যাপকহারে বেড়েছে। সব হাউজের চেয়ারগুলো ছিল পরিপূর্ণ। অনেক বিনিয়োগকারী আবার বসার জায়গা না পেয়ে দাঁড়িয়ে লেনদেন করছেন। বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, বিনিয়োগকারীরা আবার পুঁজিবাজারের উপর আস্থা ফিরে পেয়েছে। তাই তাদের সরব উপস্থিতি লক্ষ করা যাচ্ছে।

ডিএসই ভবনের সামনে বিনিয়োগকারীদের রাখা যানবাহনের জন্য ফাঁকা জায়গা নেই বললেই চলে। এদিকে পুঁজিবাজারের উর্ধ্বমূখীতার সঙ্গে সঙ্গে বিক্রি বাড়ছে মতিঝিল এলাকার চা বিক্রেতাদের। বিক্রেতা আবুল জানান, আগে দৈনিক ৩০০ টাকা থেকে ৪০০ টাকার চা-পান বিক্রি করতাম। আজ এরই মধ্যে প্রায় ১২০০ টাকার চা-পান বিক্রি করে ফেলেছি।

বিনিয়োগকারী জামাল জানান, দীর্ঘদিন বিনিয়োগকারীদের এমন উপস্থিতি ছিল না। বিনিয়োগকারীদের এতো উপস্থিতি দেখে ভালো লাগছে। আরেক বিনিয়োগকারী সেলিম আহমেদ জানান, উদ্যোক্তা পরিচালকরা রিট করা সত্ত্বেও স্থগিতাদেশ না আসায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরে এসেছে। যার কারণে বিনিয়োগকারীদের এ উপস্থিতি। তবে আশা করছি রায় বিনিয়োগকারীদের পক্ষেই আসবে।