রবিবার, ৮ এপ্রিল, ২০১২

‘আদালতের নির্দেশনায় প্রভাব পড়বে না পুঁজিবাজারে’

পরিচালকদের ন্যূনতম শেয়ার ধারণ নিয়ে এসইসির প্রজ্ঞাপনের ওপর হাই কোর্টের রুল জারির ফলে পুঁজিবাজারে লেনদেনে কোনো প্রভাব পড়বে না বলে মনে করছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ।

বিনিয়োগকারীদের আতংকিত না হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে ডিএসই সভাপতি রকিবুর রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “হাই কোর্ট এসইসির প্রজ্ঞাপন স্থগিত করেনি। তারা শুধু এসইসির কাছে এ প্রজ্ঞাপন জারির কারণ জানতে চেয়েছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীদের আতংকিত হওয়ার কারণ নেই।”

ডিএসই সভাপতি জানান, সোমবার সকাল ৯টায় অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের সঙ্গে বৈঠকে বসবে ডিএসই নেতারা।

“এসইসির প্রজ্ঞাপন সম্পর্কে অ্যাটর্নি জেনারেলকে বোঝাবো আমরা। এসইসির নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতেই হবে।”

আদালতের নির্দেশনার কারণে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেনে কোনো প্রভাব পড়বে না বলে আশা প্রকাশ করছেন ডিএসই পরিচালক আহসানুল ইসলামও। বাজারে স্বাভাবিকভাবে লেনদেন চলবে বলেও তিনি জানান।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “উচ্চ আদালতের নির্দেশনার বিষয়টি নিয়ে রোববার আমরা বোর্ড সভায় আলোচনা করেছি। এতে সিদ্ধান্ত হয়েছে, যেহেতু বাজার বন্ধের বিষয়ে আদালত কোন নির্দেশ দেননি, তাই বাজারে স্বাভাবিকভাবেই লেনদেন হবে।”

তবে আইনের বিষয়টি স্পষ্ট করতে ডিএসই সভাপতির নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে দেখা করবে বলে তিনি জানান।

রোববার এক আদেশে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর পরিচালকদের ন্যূনতম ২ শতাংশ শেয়ার ধারণে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) জারি করা প্রজ্ঞাপনকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়েছে হাই কোর্ট।

চার সপ্তাহের মধ্যে অর্থ সচিব, বাণিজ্য সচিব, এসইসি চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, এনসিসিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, জয়েন্ট স্টক কোম্পানি অ্যান্ড ফার্মের রেজিস্ট্রার, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এই আদেশের পর করণীয় নির্ধারণ করতে জরুরি বৈঠকে বসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ। সেখানে প্রথমে বাজার বন্ধ রাখার বিষয়ে আলোচনা হলেও, পরে বাজার স্বাভাবিকভাবে চালু রাখার সিদ্ধান্ত হয়।