মঙ্গলবার, ১০ এপ্রিল, ২০১২

লেনদেনে প্রাণ চাঞ্চল্য, শেষ ২৩ মিনিটে দেড়শত কোটি টাকার লেনদেন

আজ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) শেষ ২৩ মিনিটে দেড়শত কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। বাজারের ইতিবাচক প্রবণতায় সূচকের সঙ্গে সঙ্গে লেনদেনের পরিমাণও ক্রমানয়ে বাড়তে শুরু করেছে।

আজ বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ডিএসইর শেষ এক ঘন্টায় লেনদেন হয়েছে ২৭৫ কোটি টাকা। শেষ ৩০ মিনিটে লেনদেন হয়েছে ১৭৮ কোটি টাকা। আর শেষ ২৩ মিনিটে লেনদেন হয়েছে ১৫০ কোটি টাকা। এতে দেখা যায়, ডিএসইতে শুরু থেকে শেষের দিকে লেনদেনের পরিমাণ বেশি হয়েছে।

পতনের ধারা থেকে এরই মধ্যে বেরিয়ে এসেছে পুঁজিবাজার। আর ১৫ মার্চের ডিএসই প্রেসিডেন্ড নির্বাচন নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্য বাজার নিয়ে খুবই আশাবাদী ছিলো। যা ধীরে ধীরে তা পূরণ হচ্ছে। এর ফলে বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থাও ফিরতে শুরু করেছে। যার কারণে লেনদেনে ফিরে আসছে প্রাণ।

বিনিয়োগকারীরা জানান, মনের মধ্যে একটা ভয় ছিল যদি উদ্যোক্তারা রিট করে শেয়ার সংরক্ষণের কোটা পূরণের বিষয়টা স্থগিত করে দেন। উদ্যোক্তারা তা করতে না পারায় সে ভয়টা কেটে গেছে। আর এ কারণই স্বতস্ফূর্তভাবে লেনদেন করতে পারছি। তাছাড়া ডিএসই’র জোড়ালো পদক্ষেপ বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বাজার স্বাভাবিক করার জন্য রিট করার পরের দিন ডিএসই ও সিএসই আদালতে যান। যা বিনিয়োগকারীদের মনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। এদিকে আজ মতিঝিল এলাকায় বিনিয়োগকারীদের সরব উপস্থিতি ছিল।

উল্লেখ্য ডিএসইতে ১৫ মার্চ নতুন প্রেসিডেন্ড হিসাবে দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই বাজার স্থিতিশীল করার জন্য চেষ্টা করে আসছেন। এদিকে ৩১ মার্চ ডিএসই ও সিএসই এবং ২ এপ্রিল এসইসি ও ডিএসই’র বৈঠকে পরিচালকদের শেয়ার ক্রয়ে সময় না বাড়ানোর বিষয়ে জোড়ালোভাবে বলে আসছে ডিএসইর প্রেসিডেন্ড রকিবুর রহমান।