সোমবার, ৯ এপ্রিল, ২০১২

খুব শিগগিরই লেনদেনে যাচ্ছে পদ্মা অয়েল

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পদ্মা অয়েল লিমিটেডের ঘোষিত লভ্যাংশ ও বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অবৈধ ঘোষণা করেছে হাইকোর্ট। এ রায়ের ফলে  প্রতিষ্ঠানটি লেনদেে চালুতে আইনি জটিলতা নেই বললেই চলে।  খুব শিগগিরই লেনদেন চালু করতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন কোম্পানিসচিব মহিউদ্দীন আহমেদ। আজ সোমবার বিকালে তিনি জিজনেসটাইমসকে এ কথা জানান ।
মহিউদ্দীন  বলেন,আইনি জটিলতার কারণে এতদিন আমদের লেনদেন বন্ধ ছিল। যেহেতু আইনি জটিলতা কেটেছে আশা করছি মে মাসের মধ্যে লেনদেন শুরু করতে পারবো।
তিনি বলেন, দেনদেন চালুর ব্যাপারে আমরা রোববার  সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে চিঠি জমা দিয়েছি। দুটি মামলার মধ্যে একটি মামলার প্রয়োজনীয় কাগজ পেপার কাটিং সহ জমা দিয়েছি। আর একটি মামলার কপি এখন হাতে পাওয়া যায়নি এজন্য সেটা দেওয়া হয়নি। তবে খুব শিগগিরই তাও জমা দিব।
এদিকে এ বিষয়ে পদ্মা অয়েলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এএইচএম সামসুদ্দোহা সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এক বছর যাবতৎ আইনি জটিলতায় আমাদের লেনদেন বন্ধ ছিল। ইতিমধ্যে আইনি জটিলতা কেটেছে।  লেনদেন চালুর ব্যাপারে এসইসির কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়েছি। আশা করছি এসইসি অচিরেই আমাদেরকে লেনদেনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দিবে। তাই এসইসির সিদ্ধান্তের পর শিগগিরই আমরা লেনদেন শুরু করতে পারব।’
সূত্র জানায়, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সরাসরি তালিকাভুক্ত আইনের বিধি ৩০Ñএর নিয়ম উপেক্ষা করে পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ ২০০৯ এবং ২০১০ অর্থবছরের জন্য ১০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের পক্ষে আজিজ আহমেদ নামের এক বিনিয়োগকারী পরিচালনা পর্ষদের অবৈধ লভ্যাংশ ঘোষণাকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট পিটিশন (নং ২৩/২০১১) দায়ের করে রুল এবং স্থগিতাদেশ নেন।
জানা যায়,পদ্মা অয়েল ১৯৭৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে রয়েছে। বর্তমানে এ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার রয়েছে ২ কোটি ৯৪ লাখ। এর মধ্যে সরকারের হাতে ৫০ দশমিক ৩৫ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর কাছে ৩১ দশমিক ৩৪ শতাংশ এবং পাবলিকের কাছে রয়েছে ১৮ দশমিক ৩১ শতাংশ শেয়ার।