রবিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০১২

রংপুর ডেইরির ১২% স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা

শেয়ারহোল্ডারদের ১২ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেওয়ার সুপারিশ করেছে রংপুর ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে রোববার জানানো হয়, ২০১১ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপনী বছরের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে।

রংপুর ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২৬ মে দুপুর ৩টায় রংপুরের বালদিপুকুরের সালাইপুরের কারখানা প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬ এপ্রিল।

ডিএসই ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে, সমাপনী বছরে রংপুর ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেডের ১০ টাকার প্রতিটি শেয়ারে আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ২৬ পয়সা। শেয়ারপ্রতি মোট সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ২৮ টাকা ৮৬ পয়সা।

ইসলামী ব্যাংকের লভ্যাংশ ঘোষণা

শেয়ারহোল্ডারদের ২৫ শতাংশ স্টক ও ৭ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার সুপারিশ করেছে ইসলামি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে রোববার জানানো হয়, ২০১১ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপনী বছরের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে।

ইসলামী ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ১৫ মে বেলা ১০টায় শেরেবাংলানগরের আগারগাঁওয়ের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৪ এপ্রিল।

ডিএসই ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে, সমাপনী বছরে ইসলামী ব্যাংকের ১০ টাকার প্রতিটি শেয়ারে আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ৮৪ পয়সা। শেয়ারপ্রতি মোট সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ৭৮ পয়সা।

কোম্পানিটি ২০১০ সালের সমাপনী বছরে ৩৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল।

২৩% স্টক লভ্যাংশ দেবে যমুনা ব্যাংক

শেয়ারহোল্ডারদের ২৩ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেওয়ার সুপারিশ করেছে যমুনা ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ।

২০১১ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপনী বছরের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে বলে রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে জানানো হয়।

যমুনা ব্যাংক লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২৩ মে বেলা ১০টায় ২৬ বেইলি রোডের অফিসার্স ক্লাবে অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২ মে।

ডিএসই ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে, সমাপনী বছরে যমুনা ব্যাংক লিমিটেডের ১০ টাকার প্রতিটি শেয়ারে আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৬৫ পয়সা। শেয়ারপ্রতি মোট সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৯৬ পয়সা।

কোম্পানিটি ২০১০ সালের সমাপনী বছরে ২২ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল।

ইনটেক অনলাইনের বোর্ডসভার সময় নির্ধারণ

 শেয়ারবাজারের তালিকাভুক্ত ইনটেক অনলাইন কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ সভার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। সভা আগামী ১৮ এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৩টায় অফিস কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করা হতে পারে। আজ রোববার ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

চার সিকিউরিটিজ হাউস পরিদর্শনে যাচ্ছে এসইসি

চারটি সিকিউরিটিজ হাউস পরিদর্শনে যাচ্ছে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) গঠিত  টিম। গত বৃহষ্পতিবার এ লক্ষ্যে আট  সদস্যের চারটিটি টিম গঠন করেছে কমিশন।
স্টক ডিলার ও স্টক ব্রোকার এবং ডিপোজিটরী প্রবিধানমালা অমান্য করায় এসইসি হাউস পরিদর্শনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে।  হাউসগুলো হলো- এসআর ক্যাপিটাল লিমিটেড, ব্যাংক এশিয়া সিকিউরিটিজ লিমিটেড, এমটিবি সিকিউরিটিজ লিমিটেড এবং সিলনেট  সিকিউরিটিজ লিমিটেড।
রবিবার ও সোমবার (১৫ও ১৬ এপ্রিল) এসআর কাপিটাল লিমিটেড পরিদর্শন করছে এসইসির উপপরিচালক মো: হোসেন খান ও মো; সেলিম কবির।
আগামী ২২ থেকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত ব্যাংক এশিয়া পরিদর্শন করবে এসইসির পরিচালক মো: জাহাঙ্গীর আলম ও প্রদীপ কুমার বসাক।
এমটিবি সিকিউরিটিজ হাউস পরিদর্শন করা হবে ২৪ থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত। এ হাউস পরিদর্শন করবে এসইসির পরিচালক মো: সাইফুল আজম ও মো: আবু হেনা।
সিলনেট সিকিউরিটিজ হাউসে পরিদর্শনে যাবে এসইসির উপপরিচালক মো: ইউসুফ ভুইয়া ও ওহিদুল ইসলাম। এ হাউস পরিদর্শন করা হবে  ২৪ থেকে ২৬  এপ্রিল পর্যন্ত।

গুজব ঠেকাতে সক্রিয় এসইসি-ডিএসই

পুঁজিবাজারের ছড়ানো গুজব ঠেকাতে তৎপর নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) ও প্রধান বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। গত বুধবার সংস্থা দুটির পক্ষ থেকে পৃথকভাবে এই বিষয়টি পরিষ্কার করা হয়।
ওইদিন এসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম খায়রুল হোসেনের সঙ্গে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকেরা দেখা করে তাঁর কাছে বিভিন্ন সময়ে বাজারে ছড়িয়ে পড়া গুজব সম্পর্কে জানতে চান। এ সময় তিনি বলেন, একটি চক্র বিভিন্ন সময় বিনিয়োগকারীদের মাঝে গুজব ছড়িয়ে দিয়ে ফায়দা লুটার চেষ্টা করে থাকে। এমনকি এই চক্র পরিচালকদের শেয়ার কেনার-বিষয়েও নানা গুজব ছড়িয়ে ফায়দা লুটার চেষ্টা করছে। এ অবস্থায় বিনিয়োগকারীদের কোনো প্রকার গুজবে কান না দিয়ে বরং নিজে বুঝে শুনে নিজের অর্থ বিনিয়োগের পরামর্শ দেন তিনি।
এ সময় গুজব সম্পর্কে উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে খায়রুল হোসেন বলেন, গুজব ঠেকাতে এসইসি সক্রিয় রয়েছে। কেউ কোনো গুজব শুনলে তাঁকে সরাসরি এসইসির মুখপাত্র মো. সাইফুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ করেন এবং এসইসির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক বিষয়টি পরিষ্কার করা হবে বলেও জানান তিনি। এসময় এসইসির সদস্য আরিফ খান ও মুখপাত্র সাইফুর রহমানও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
আরিফ খানও একই ধরনের মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘কোনো গুজব শুনলে সাংবাদিকদের উচিত হবে প্রথমেই মুখপাত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা। মুখপাত্র বিষয়টি নিয়ে কমিশনে আলাপ করে তাৎক্ষণিক গুজবের বিষয়টি পরিষ্কার করবেন’।
এদিকে একইদিন বিকেলে এক ব্রিফিংয়ে ডিএসইর সভাপতি রকিবুর রহমানও কোনো প্রকার গুজবে কান না দেওয়ার জন্য বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান জানান। গুজব ঠেকাতে ডিএসই সক্রিয় রয়েছে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন ‘গুজব দ্বারা যেন বাজার পরিচালিত না হয়। এ ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে’।
পরে ডিএসইর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আহমেদ রশিদ লালী বলেন, ‘আগামী ১৬ এপ্রিল ডিএসইর বোর্ড মিটিং রয়েছে। ওই মিটিংয়ে গুজব ঠেকাতে একটি প্রস্তাব পেশ করা হবে। কেউ কোনো হাউসে গিয়ে গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করলে ওই ব্যক্তিকে সংশ্লিষ্ট হাউসের সিইও বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে নিয়ে যেতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ওই ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে বিষয়টির সুরাহা করবেন। এবং বিষয়টির সত্যতা না থাকলে তাৎক্ষণিক অন্য বিনিয়োগকারীদের অবহিত করবেন’।
লালী আরও বলেন, ‘গ্যাম্বলাররা গুজব ছড়িয়ে বাজার থেকে ফায়দা লুটে থাকে। সারা বিশ্বেই এর প্রচলন রয়েছে। তবে এক্ষেত্রে আমাদের উচিত হবে গুজবে কান না দেওয়া’। সব বিনিয়োগকারীকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ করেন তিনি।
বাজার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বাজারে গুজব থাকবে এটাই স্বাভাবিক। তবে বিনিয়োগকারীদের উচিত হবে কোনো প্রকার গুজবে কান না দেওয়া। অন্যথায় তাঁদেরকে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হবে। এর দায় নিজেকেই নিতে হবে।

১ হাজার ২শ কোটি টাকা ছাড়ালো লেনদেন

দেশের পুঁজিবাজারে আজ রোববার সপ্তাহের প্রথম দিনে সূচক ও লেনদেন দুই-ই বেড়েছে। দিন শেষে প্রধান বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন ১২০০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। আর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হয়েছে প্রায় ১০০ কোটি টাকা।
বাজার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ২০১০ সালের ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া অব্যাহত দরপতনে বিনিয়োগকারীদের ক্রয় ক্ষমতা অনেক কমে গিয়েছিল। গত বেশ কয়েকদিন ধরে বাজার তুলনামূলক ভাল থাকায় বিনিয়োগকারীদের ক্রয় ক্ষমতা কিছুটা বেড়েছে। এর ফলে ওই সব বিনিয়োগকারী নতুন করে সক্রিয় হচ্ছেন।
এছাড়া সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ২১ মে পরিচালকদের ন্যুনতম শেয়ার ধারণের সময়সীমা শেষ হচ্ছে। এ উপলক্ষে অনেক পরিচালক শেয়ার কেনা অব্যাহত রেখেছেন। এ বিষয়টিও ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, আজ দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১২০.৫৬ পয়েন্ট বেড়ে ৫৪৬৪.১৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে আজ ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয়, যা লেনদেনের শেষ পর্যন্ত অব্যাহত ছিল।
ডিএসইতে আজ ২৬৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১৫৭টির দাম বেড়েছে। কমেছে ৯৯টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে আটটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। স্টক এক্সচেঞ্জটিতে আজ এক হাজার ২০১ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে, যা গত বৃহস্পতিবারের চেয়ে ১২৩ কোটি টাকা বেশি। এ দিকে আজ ডিএসইতে গত সাড়ে আট মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ লেনদেন  হয়েছে। এর আগে গত বছরের ৩১ জুলাই সর্বশেষ ১৩৪১ কোটি টাকা লেনদেন হয়।
দিন শেষে ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠান হলো:  গ্রামীণফোন, বেক্সিমকো, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, যমুনা অয়েল, তিতাস গ্যাস, স্কয়ার ফার্মা, আফতাব অটো, আরএন স্পিনিং, এমআই সিমেন্ট ও বেক্সিমকো ফার্মা।